Bio Oil - Best Skin Care Products | Uses, Benefits & Reviews

বায়ো অয়েল - কাজ, ব্যবহার এবং উপকারিতা

বায়ো-অয়েল হলো একটি বিশেষ স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট যা ফর্মূলায়িত করা হয়েছে ত্বকের দাগ, স্ট্রেচ্‌মার্ক, অমসৃণতা কমিয়ে, ত্বকের উন্নতিসাধন করার জন্য। এর অনন্য ফর্মূলা, যার মধ্যে রয়েছে বিরাট সাফল্য অর্জনকারী উপাদান ‘পারসেলিন অয়েল’ যা শুষ্ক ও বয়স্ক ত্বকের জন্যও অত্যন্ত ফলপ্রদ। বায়ো অয়েল ত্বককে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল করে, এটি নন কমেডজেনিক এবং সব ধরণের ত্বকের জন্য উপযোগী।

বায়ো অয়েলের ফর্মূলা তৈরী হয়েছে উদ্ভিজ নির্যাস এবং ভাইটামিনের সমন্বয়ে। এতে থাকা পারসেলিন অয়েল, যা এই ফর্মূলার সামগ্রিক ঘনত্ব পরিবর্তন করে, তেলকে হালকা করে ফলে এতে ভারী ও তেলচিটে ভাব থাকে না। এই উপাদান বায়ো অয়েলে উপস্থিত উদ্ভিজ নির্যাস ও ভাইটামিসমূহ যাতে ত্বকে খুব সহজেই প্রবেশ করতে পারে তা নিশ্চিত করে। বায়ো অয়েলে রয়েছে ক্যালেনডুলা, ল্যাভেন্ডার, রোজমেরী এবং ক্যামোমাইল অয়েল। এছাড়াও রয়েছে ভাইটামিন ‘এ’ এবং ‘ডি’ যা আপনার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশ্বজুড়ে বায়ো অয়েল অর্জন করেছে ৩৬৯টি স্কিন কেয়ার এওয়ার্ড এবং ১৮টি দেশে এক নম্বর স্কার এবং স্ট্রেচ্‌মার্ক ট্রিটমেন্ট প্রডাক্ট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

বায়ো অয়েলের কাজ ও ব্যবহারসমূহঃ বায়ো অয়েল ত্বক ও চুলের যত্নে বিবিধভাবে ব্যবহার করা যায়। ত্বকের দাগ অপসারণ করতে বায়ো অয়েলের সাফল্য পরিক্ষিত ও প্রমাণিত। ত্বকের নিরাময় প্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে ক্ষতচিহ্ন বা ত্বকে দাগ পড়া। ক্ষতস্থানে কোলাজনের অত্যুত্‌পাদনের কারণে এটি হয়ে থাকে। ক্ষত চিহ্ন বহুসংখ্যক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়ে পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। প্রকৃতিগতভাবে ক্ষত চিহ্নগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। বায়ো অয়েল বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা ত্বকের দাগ ও ক্ষতের বাহ্য অবস্থানের উন্নতি সাধন করে তা হালকা করে তুলে কিন্তু ক্ষতের দাগ সম্পূর্ণভাবে অপাসারণ সম্ভব নয়।

বায়ো অয়েল আঙুলের সাহায্যে আক্রান্তস্থানে বৃত্তাকারে ঘুরিয়ে, হালকা ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এইভাবে দৈনিক ২ বার করে কমপক্ষে ৩ মাস ব্যবহার করতে হবে। নতুন ক্ষতের ক্ষেত্রে তা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, শুকিয়ে গেলে তারপর বায়ো অয়েল ব্যবহার করুন। ফলাফল ব্যক্তিভেদে পৃথক পৃথক হয়ে থাকে।

স্ট্রেচ্‌ মার্কস হালকা করতে বায়ো অয়েল অত্যন্ত কার্যকর। যখন আমাদের শরীরের আকার ত্বকের আবরণের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তখন বিভিন্ন স্থানে ত্বক ফেটে যায়, আর এই থেকে আরোগ্য লাভের সময়ে সাদা বর্ণের ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ত্বকের ধরণ, বর্ণ, বয়স, খাদ্যাভাস, ত্বকের আদ্রর্তার ওপর ভিত্তি করে স্ট্রেচ্‌ মার্কস হওয়ার সম্ভাবনার তারতম্য হয়। যাদের স্ট্রেচ মার্কস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তারা হলেন অন্তঃসত্তা নারীগণ, কিশোর- কিশোরীগণ, বডি বিল্ডারস এবং যাদের হটাৎ করেই অতি অল্প সময়ে ওজন বৃদ্ধি পায়। প্রকৃতিগতভাবেই স্ট্রেচ মার্কস স্থায়ী ধরণের এবং যদিও বায়ো অয়েল স্ট্রেচ মার্কস কমিয়ে আনতে সাহায্য করে, এটি সম্পূর্ণভাবে সেরে যাওয়া সম্ভব নয়।

বায়ো অয়েল আঙুলের আক্রান্তস্থানে বৃত্তাকারে ঘুরিয়ে, হালকা ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এইভাবে দৈনিক ২ বার করে কমপক্ষে ৩ মাস ব্যবহার করতে হবে। গর্ভকালীন অবস্থায়, দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার এর শুরু থেকে তৃতীয় ট্রাইমেস্টারের শেষ পর্যন্ত বায়ো অয়েল ব্যবহার করুন। ব্যক্তিভেদে পৃথক পৃথক ফলাফল পরিলক্ষিত হয়।

শরীর অসামঞ্জন মেলানিন উৎপাদনের কারণে ত্বক মসৃণতা হারিয়ে ফেলে। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণ যেমন অত্যাধিক সূর্যলোক-সম্পাত বা  ত্বক ফর্সা করার জন্য নিম্নমানের প্রডাক্টের ব্যবহার; অথবা আভ্যন্তরীণ কারণসমূহ যেমন হরমোনের ওঠা-নামা, মনোপজ, গর্ভনিরোধক পিল সেবন ইত্যাদি কারণেও ত্বকের অমসৃণতার সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করে। দৈনিক ২ বার করে অন্তত তিন মাস বায়ো অয়েল ব্যবহার করতে হবে। বায়ো অয়েলে কোন প্রকার এস পি এফ বা সানস্ক্রিন উপাদান নেই। বায়ো অয়েল ত্বকে লাগানোর পরে সম্পূর্ণ শোষিত হওয়ার পর তার ওপর সানব্লক প্রডাক্ট ব্যবহার করুন।

ত্বকের কোলাজেন এবং ইলাস্টিন সাপোর্ট সিস্টেমের ক্ষয়ের কারণে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়। বায়ো অয়েলে রয়েছে অসংখ্য উপাদান যা ত্বককে প্লাষ্টিসাইজ করতে সাহায্য করে, ত্বককে করে তোলে কোমল, মোলায়েম এবং আরও দৃঢ়। যার ফলে ত্বকের বলিরেখা হ্রাস পায়। বায়ো অয়েল একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বকের গঠন, বর্ণের উন্নতিসাধনের মাধ্যমে বলিরেখা ও ভাঁজ কমিয়ে আনে। দৈনিক ২ বার করে আক্রান্তস্থানে বায়ো অয়েল লাগিয়ে নিন। এটি নিয়মিত করুন।

ত্বকের উপরিভাগে প্রচ্ছন্ন তৈলাক্ত পরত রয়েছে যা ত্বকের ময়েশ্চার নির্গত হওয়ার সময় প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে ত্বককে শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া বা জলবায়ুতে এই লিপিড পরতটি কুলিয়ে উঠতে পারে না ফলে ত্বকের ময়েশ্চার নিষ্কোষিত হয়ে যায়। বায়ো অয়েল ত্বকের প্রাকৃতিক তৈলাক্ত পরতের জন্য সম্পূরক হিসেবে কাজ করে। এই সমস্যা সমাধানে দৈনিক ২ বার করে নিয়মিত বায়ো অয়েল ব্যবহার করুন। ব্যক্তিভেদে ফল ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

বায়ো অয়েল শুধু ত্বক নয়, চুল, চোখের পাপড়ি, ভ্রূ এর যত্নেও ব্যবহার করা যায়।  এটি খুবই কার্যকর এবং ফলপ্রদক একটি প্রডাক্ট যা আপনি নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে পারবেন। আর বোনাস হিসেবে রয়ছে বায়ো অয়েলের অসাধারণ ফুলেল সুবাস।

সূলভ দামে পণ্যটি কেনার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট  www.gotimoy.com পরিদর্শন করুন অথবা এই নম্বরে ০১৯১২০৬৩৯৯৮ ফোন করুন। 

Leave a Reply

Sorry, you must be logged in to post a comment.