Aztec Indian Healing Clay Benefits, Uses & Review

এজেটেক সিক্রেট ইন্ডিয়ান হিলিং ক্লে উপকারিতা ও ব্যবহার

এযটেক ইন্ডিয়ান হিলিং ক্লে সম্প্রতি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ফেসিয়াল হিসেবে আখ্যায়িত। বিপুল সাড়া জাগানো এই মাস্কের জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেছে যে এটি আসলেই কার্যকর। আপনাদেরও নিশ্চয় জানতে ইচ্ছা করছে এই মাস্কের বৈশিষ্ট্য কি  এবং কিভাবে ব্যবহার করা যায়। এই প্রডাক্টের উপাদান, উপকারিতা, ব্যবহার,  বিউটি রেসিপি পেয়ে যাবেন এইখানেই।

এযটেক ইন্ডিয়ান হিলিং ক্লের প্রধান এবং একমাত্র উপাদান হচ্ছে কেলসিয়াম বেনটোনাইট মাটি।  আগ্নেয়গিরি থেকে পাওয়া এক ধরণের ছাইয়ের তৈরি পাথর হলো কেলসিয়াম বেনটোনাইট। অতি প্রাচীনকাল থেকেই এই মাটি রোগমুক্তির জন্য ব্যবহ্রত হয়ে আসছে। আন্দেজ, মধ্য আফ্রিকা এবং অস্টেলিয়ার অনেক ঐতিহ্যগত, শত শত বছর ধরে এই মাটি ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। পুরনো এই  প্রাকৃতিক ক্লে মাস্ক এখনও সবচেয়ে কার্যকর। এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ, তেমনি সাধ্যের মধ্যেই।

এযটেক মাস্কের বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ত্বকের মাধ্যমে শরীর থেকে টক্সিন, তেল ও ময়লা শোষণ করে নেয়। শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ টেনে নেওয়ার এই বৈশিষ্ট্যতেই এই মাটির অন্যতম শক্তিশালী গুণ অন্তর্নিহিত। এটি একটি ডিপ পোর ক্লিঞ্জার অর্থাৎ এটি লোমকূপের গভীর থেকে জমে থাকা ময়লা এবং ক্ষতিকর পদার্থ পরিস্কার করতে সক্ষম। এই মাস্ক ত্বককে উদ্দীপিত করে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। এটি ব্যবহারের পর ত্বকে একটি প্রশান্তভাব অনুভব করবেন। এই ক্লে মাস্ক এর মধ্যে উপস্থিত মিনারেল ও নিউট্রেন্স এর জন্য বিখ্যাত। যখন ত্বকে ব্যবহার করা হয়, তখন আমাদের ত্বক এই মিনারেল আর নিউট্রেন্স শোষণ করে নেয় এবং লাভ করে পুষ্টি ও নবজীবন।

এযটেক মাস্ক একনি, ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস্‌, একনিজনিত ক্ষত, খুঁত, ত্বকের দাগ কমাতে ব্যবহ্রত হয়। সেলুলাইট, একজিমা, ত্বকের এলার্জি ও বলিরেখা কমাতে এটি খুবই কার্যকরী। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও ব্যবহ্রত হয় এই মাস্ক। এটি চুলে যোগায় আর্দ্রতা, খস্‌খসে ভাব দূর করে, ময়েশ্চারাইজ করে এবং শুষ্কতা হ্রাস করে চুলকে করে ঝলমলে ও মসৃণ।

ক্লে মাস্ক  তৈরি করার সময় কাঁচ, মাটি বা কাঠের তৈরি বাটি, চামচ ও ব্রাশ ব্যবহার করুন। ধাতব এবং প্লাস্টিকের পাত্র ও চামচ পরিহার করুন। এর কারণ হচ্ছে, ধাতু এই মাটিতে থাকা মিনারেলের সাথে বিক্রিয়া করে মাড মাস্কের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়। প্লাস্টিকে উপস্থিত কৃত্রিম ক্যামিকেল ক্লের সাথে মিশে যায় এবং ত্বকের জন্য তা ক্ষতিকর হতে পারে।

ক্লে মাস্ক তৈরি করতে অন্য যেইসব উপকরণ ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে প্রধানত অরগানিক আপেল সাইডার ভিনেগার এবং পানি সবচেয়ে বেশি ব্যবহ্রত হয়ে থাকে। তবে আপনাকে অবশ্যই অরগানিক আনফিল্টারড আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করতে হবে।  পানি অথবা বাজারে যে সব নরমাল আপেল ভিনেগার পাওয়া যায় ওইগুলো ব্যবহার করলে কার্যকরী না।

এযটেক ইন্ডিয়ান হিলিং ক্লে মাস্ক রেসিপি

উপকরণ

১-২ চা চামচ এযটেক ইন্ডিয়ান হিলিং ক্লে

১-২ চা চামচ অরগানিক আনফিল্টারড আপেল সিডার ভিনেগার

প্রনালিঃ

১)দুইটি উপকরণ একসাথে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন।

২)এই পেস্ট হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে  চক্রাকারে আলতো ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। চাইলে ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন।  মাস্ক চোখ এবং চোখের চারিপাশের সংবেদনশীল ত্বক বাদে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন।

৩) ১৫- ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানিতে একটি টাওয়েল ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিন। এবার সেই টাওয়েল আলতো করে মুখের উপর চেপে ধরুন। টাওয়েলের বাষ্প ত্বকের লোমকূপ খুলে দিবে এবং ক্লে মাস্ককে নরম করবে।

8) এক মিনিট রেখে টাওয়েল তুলে নিন। এবার আবারো কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। পানি ঝরিয়ে সেই টাওয়েল দিয়ে খুবই হালকা করে ঘষে ঘষে মাস্ক তুলে ফেলুন। এতে ত্বকে স্ক্রাবিং হয়।

৫)  টাওয়েল ব্যবহার না করতে চাইলে শুধু মাত্র কুসুম গরম পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন।

 

সূলভ দামে পণ্যটি কেনার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট  www.gotimoy.com পরিদর্শন করুন অথবা এই নম্বরে ০১৯১২০৬৩৯৯৮ ফোন করুন। 

Leave a Reply